মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৯, ২০২১

“সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু”

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সোহাগ মাতুব্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সারা দেশের ন্যায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার। বাহারি সাজে সজ্জিত করা হয়েছে বিভিন্ন মন্ডপ।

এই বছর ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সর্বমোট  ৯২ টি পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপন হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে সরকারি ৫০০ কেজি জি আর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে ঘারুয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য শ্রী দীপক পাল পদ্মার নিউজ কে বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এই বছর আমার শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজনে করেছি। সরকারি অনুদানে বাবদ ১৬৯০০ শত টাকা পেয়েছেন। সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে পূজা উদযাপন করা হয়েছে।  হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সবাই কে মাস্ক পরে পূজা মন্ডপে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার সকল মন্ডপ গুলি বিভিন্ন আলোকসজ্জায় রঙিন হয়ে উঠেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছে। সারা দেশে দুর্গাপূজা বিশেষ জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়।

উল্লেখ্য সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন পর্যন্ত শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে “দুর্গাষষ্ঠী”, “মহাসপ্তমী”, “মহাষ্টমী”, “মহানবমী” ও “বিজয়াদশমী” নামে পরিচিত। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষটিকে বলা হয় “দেবীপক্ষ”। দেবীপক্ষের সূচনার অমাবস্যাটির নাম মহালয়া; এই দিন হিন্দুরা তর্পণ করে তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন করে। দেবীপক্ষের শেষ দিনটি হল কোজাগরী পূর্ণিমা। এই দিন হিন্দু দেবী লক্ষ্মীর পূজা করা হয়। কোথাও কোথাও পনেরো দিন ধরে দুর্গাপূজা পালিত হয়। সেক্ষেত্রে মহালয়ার আগের নবমী তিথিতে পূজা শুরু হয়।

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আজিম উদ্দিন বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে শান্তি পূর্ণ ভাবে পূজা উদযাপন করা হচ্ছে। সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে সকল পূজা মন্ডপ চলছে পূজার আয়োজন। উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে টহল টিম সকল কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। 

শেয়ার করুন: